ইসলামী বিশ্বের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো

muslim world

উপস্থাপনা

ইসলামী বিশ্বের গুরুত্ব । মানব সভ্যতার গােড়া থেকেই মহান আল্লাহ তাঁর মনােনীত জীবনব্যবস্থা ইসলামের পথনির্দেশনা দিয়েছিলেন । হযরত আদম ( আ ) থেকে শুরু করে সকল নবী ও রাসূল ইসলামের দাওয়াত দিয়েছিলেন । এ অর্থে ইসলামী বিশ্বের বিকাশ । সূচিত হয়েছিল মানব সভ্যতার আদিকাল থেকেই । বর্তমান পৃথিবীর প্রায় এক চতুর্থাংশ । ভূখণ্ড জুড়ে ইসলামী বিশ্বের অবস্থান । ৫৭টি দেশে ইসলামের অনুসারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ পৃথিবীব্যাপী মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের ভৌগােলিক অবস্থান , গােটা মানবজাতির এক পঞ্চমাংশেরও । বেশি মুসলমানের রাজনৈতিক ঐক্য এবং সর্বোপরি মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের অর্থনৈতিক শক্তি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত ।

ইসলামী বিশ্বের ভৌগােলিক গুরুত্ব :

ভৌগােলিক অবস্থানঃ বিশ্বমানচিত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ অবস্থিত । পৃথিবীর রাজনৈতিক মানচিত্রের দিকে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যাবে মানব সভ্যতার উৎপত্তিস্থল হিসেবে খ্যাত প্রায় সকল সভ্যতার মধ্যস্থলব্যাপী মুসলিম বিশ্বের । অবস্থান । এশিয়ার অধিকাংশ দেশ , আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক এবং ইউরেশিয়ার কয়েকটা দেশব্যাপী মুসলিম বিশ্বের অবস্থান । বিশ্ব ভূগােলে পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত মুসলিম বিশ্ব বিস্তৃত । এশিয়া , আফ্রিকা , ইউরােপ ও ওশেনিয়া পর্যন্ত বিশ্বের ২৩ % ভূখণ্ড মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রসমূহের অন্তর্গত ।

রাজনৈতিক ভূগােলঃ মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ বিশ্বমানচিত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে । থাকায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি । ভূ – রাজনৈতিক ( Geo – Political ) । কৌশলগত স্থানে মুসলিম রাষ্ট্রগুলাে অবস্থিত । সমগ্র বিশ্বে ৫৭টি রাষ্ট্রে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ । আরাে অনেক রাষ্ট্রে মুসলমানরা দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ । এসব বিচারে বিশ্বমানচিত্রে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের রাজনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয় । মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সংযুক্তি , বিস্তৃত ভূখণ্ড , কৌশলগত নৌ ও সমুদ্রপথ , অভিন্ন উম্মাহ ধারণা ইত্যাদি কারণে বিশ্বমানচিত্রে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে ।

মুসলিম বিশ্বের ভৌগােলিক অর্থনীতিঃ ভৌগােলিক অর্থনীতির বিচারে মুসলিম বিশ্বের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । আঞ্চলিক সম্পদ ভিত্তির ( Regional resources base ) নিরিখে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের আছে উচ্চ কৃষি উৎপাদনের জন্য ঘনীভূত এলাকা , সমৃদ্ধ খনিজ সম্পদ , শক্তির বিভিন্নমুখী উৎসের বৃহৎ ভাণ্ডার , সুবিস্তৃত সমুদ্রসীমা ইত্যাদি । ফলে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় ঘটাতে পারলে মুসলিম বিশ্ব হতে পারে অর্থনৈতিক পরাশক্তি ।

কৌশলগত অবস্থান : ভূ – রাজনৈতিক ( Geo – Political ) বিবেচনায় মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ বিশ্বমানচিত্রের অত্যন্ত কৌশলগত স্থানে অবস্থিত । প্রতিরক্ষা , বাণিজ্য ও আন্তঃদেশীয় যােগাযােগ রক্ষায় মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ । এ বিচারে অর্থনৈতিক বাণিজ্যিক প্রতিরক্ষা ও আধুনিক যােগাযােগ প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় অবস্থান সুসংহত করার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মুসলিম উম্মাহর প্রভাব শক্তিশালী করার ব্যাপারে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে ।

ভােগােলিক আবহাওয়াগত তাৎপর্যঃ বিশ্বমানচিত্রে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের ভৌগােলিক । আবহাওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ । অনুকুল ভৌগােলিক আবহাওয়াগত কারণে অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবং জীবনধারণের উপকরণের প্রতুলতা অধিক ।

এসব দেশের মাটির মান , কৃষি , জলসীমা , সমুদ্র , প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদস ভৌত অবকাঠামাে ইত্যাদি অত্যন্ত অনুকূল ও সুবিধাজনক হওয়ায় দেশের জনসাধারণের জীবনমান যথেষ্ট উন্নত ও সম্ভাবনাময় ।

মুসলিম বিশ্বের প্রাকৃতিক ভূগােলঃ মুসলিম বিশ্ব প্রাকৃতিক উৎসরাজির এক বিস্ময়কর সমাবেশস্থল । বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীল ( দৈর্ঘ্য ৬ , ৬৭১ কি . মি . ) ১১টি আফ্রিকান রাষ্ট ( এর মধ্যে রয়েছে মুসলিম রাষ্ট্র সুদান , ইরিত্রিয়া , উগাণ্ডা ও মিসর এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে । প্রশস্ততম মরুভূমি সাহারা ( ৯০ লক্ষ বর্গ কি . মি . ) কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে । ভূমধ্যসাগরীয় দেশসমূহের উত্তর প্রবেশপথ যেন তুরস্কের পাহারায় রয়েছে । বসফরাস , হরমুজসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিসমূহ মুসলিম বিশ্বেরই অংশ । সুয়েজখাল ও পাের্ট সৈয়দের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরীয় পূর্ববর্তী দেশসমূহ কার্যত মিসর কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় । মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সকল দেশে মুসলিম জনগােষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ । বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এবং প্রশস্ততম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার মুসলিম বিশ্বের অন্তর্গত । ভূমধ্যসাগরীয় ৬০ % এবং উপসাগরের ১০০ % জলরাশি মুসলিম রাষ্ট্রের অন্তর্গত । লােহিত সাগর , আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলস্থল সীমারেখা মুসলিম রাষ্ট্রের অন্তর্গত ।

মুসলিম বিশ্বের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

ঐতিহাসিক অবস্থানঃ ঐতিহাসিকভাবে মুসলিম বিশ্ব সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তির অধিকারী ছিল । মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ বেশ কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত বিশ্ব অর্থনীতির পরাশক্তি ছিল । ব্যবসায় বাণিজ্যে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ বিশ্ব অর্থনীতির নেতৃত্ব দিত । ঔপনিবেশিক যুগে ইউরােপীয় আধিপত্যবাদীদের হাতে একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের পতনের প্রেক্ষিতে সম্পদ পাচার ও অর্থনৈতিক শােষণের পটভূমিতে বিশ্ব অর্থনীতির নেতৃত্ব খ্রিস্টানদের হাতে চলে যেতে থাকে । ইউরােপ ও আমেরিকা কেন্দ্রিক বর্তমান বিশ্বের অর্থনীতির নেতৃত্বে নব্য উপনিবেশবাদী , জায়নবাদী খ্রিস্টানরা থাকলেও মুসলিম বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ ।

প্রাকৃতিক সম্পদরাজিঃ মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহে রয়েছে প্রাকৃতিক সম্পদের বিশাল সমাহার । পৃথিবীর জ্ঞাত খনিজ তেলের ( Petroleum ) মােট মজুদের প্রায় ৬০ % রয়েছে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহে । অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে টিন ( বিশ্ব মজুদের ৫২ % ) , ফসফেট ( বিশ্ব মজুদের ৩৫ % ) ক্রমেই আবিষ্কারমান বিশাল গ্যাস সম্পদ , অফুরন্ত কয়লা , লৌহ , কপার , ম্যাগনেট ইত্যাদি উল্লেখযােগ্য । এসব সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিতে পারে ।

কৃষিজাত সম্পদঃ মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহ কৃষিজাত সম্পদে ভরপুর । যেমন বিশ্বের ৭৫ % বার্লি , ২৫ % কোকা , ৩০ % কপূর , ৪০ % সুতা , ৯৩ % খেজুর , ২৫ % বাদাম , ৪৮ % পাট , ৪০ % পশুসম্পদ , ৭০ % রাবার , ৪০ % চাল , ৪০ % গােলমরিচ ইত্যাদি কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদক মুসলিম রাষ্ট্র । মুসলিম রাষ্ট্রসমূহে আহরিত হয় বিশ্বের প্রায় ৪০ % মৎস্য সম্পদ ।

মুসলিম জনশক্তিঃ প্রাকৃতিক ও কৃষি সম্পদের পাশাপাশি মুসলিম বিশ্ব মানবসম্পদেও ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ । বিশেষত নিম্ন আয়ের মুসলিম রাষ্ট্রসমূহে ব্যাপক সংখ্যক মানবসম্পদ রয়েছে । যেমন – ইন্দোনেশিয়া ( জনসংখ্যা ২৪ . ৯৯ কোটি ) পাকিস্তান ( ১৮ . ২১ কোটি ) , বাংলাদেশ ( ১৬ . ২১ কোটি ) , তুরস্ক ( ৭ . ৪৯ কোটি ) , মিসর ( ৮ . ৪০ কোটি ) , সুদান ( ৩ . ৮০ কোটি ) , নাইজেরিয়া ( ১৭ . ৩৬ কোটি ) প্রভৃতি দেশে রয়েছে বিশ্বের মােট শ্রমশক্তির উল্লেখযােগ্য একটা অংশ । আবার মধ্যম আয়ের দেশসমূহের মানবসম্পদ উল্লেখযােগ্যভাবে বেশি । যেমন নিম্নলিখিত মধ্যম আয়ের মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের মানবসম্পদ-

দেশের নামমাথাপিছু আয়(ডলার) মুসলিম জনসংখ্যা
ইরান১৩,৪৫১৭.৭৪ কোটি
মরক্কো৬,৯০৫৩.৩৭ কোটি
তুরস্ক১৮,৩৯১৭.৪৯ কোটি
মালয়েশিয়া২১,৮২৪২.৯৭ কোটি
ইয়েমেন৩,৯৪৫২.৪৪ কোটি

আধুনিক বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমশক্তি তথা মানবসম্পদ একটা গুরুত্বপূর্ণ ও মুখ্য অর্থনৈতিক শক্তি । মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ব । অর্থনীতিতে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে ।

উর্বর কৃষি জমিঃ বিশ্বমানচিত্রের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড জুড়ে রয়েছে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ । ভৌগােলিক অবস্থান ও আবহাওয়াগত তারতম্যের প্রভেদে মুসলিম বিশ্বের অধীনে । আছে অবারিত উর্বর কৃষি জমি । কৃষি ও শিল্পোৎপাদনে বিশ্ব পরিমণ্ডলে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের ভূসম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে । এশিয়া ও আফ্রিকার উর্বর অংশে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের অবস্থান এসব দেশের কৃষির অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মােচন করেছে । ভিন্ন ভিন্ন আবহাওয়া ও মাটির বৈশিষ্ট্যের কারণে এসব দেশের ফল । ফসলেও রয়েছে বৈচিত্র্য । বিশ্ব অর্থনীতিতে এসব উৎপাদন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখতে পারে । তাছাড়াও খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর অনেক ভূখণ্ড আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্ব আরাে বাড়িয়ে দিয়েছে ।

অর্থনৈতিক উৎপাদনঃ মুসলিম বিশ্বের অর্থনীতির মূলভিত্তি হলাে কৃষি , শিল্প ও সেবাখাত , মানবসম্পদ এবং তৈল সম্পদ । বাংলাদেশ , পাকিস্তান , ইন্দোনেশিয়া , মালয়েশিয়া ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশ কৃষিভিত্তিক শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলেছে । মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ তৈল সম্পদে সমৃদ্ধ । বিশ্বের জ্ঞাত তৈল সম্পদের মােট মজুদের প্রায় ৬০ % এসব মুসলিম দেশে রয়েছে । আশিয়ান সদস্য ইন্দোনেশিয়া , মালয়েশিয়া এবং বাংলাদেশ , পাকিস্তান , মিসরসহ উল্লেখযােগ্য সংখ্যক মুসলিম রাষ্ট্র শিল্পোৎপাদনে । নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে সমর্থ হয়েছে । অপরদিকে সেবাখাত তথা ব্যাংক , বীমা , টেলিযােগাযােগসহ বিদেশে মানবসম্পদ রপ্তানির মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ তাদের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে সক্ষম হচ্ছে ।

উপসংহারঃ

বিশ্বমানচিত্রে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ । মরক্কো থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ বিশ্ব ভূ – মানচিত্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ । ব্লক তথা এশিয়া , ইউরােপ ও আফ্রিকা জুড়ে অত্যন্ত কৌশলগত অবস্থান দখল করে আছে । ফলে সড়ক , নৌ , বিমানসহ সবধরনের যােগাযােগ অবকাঠামাে উন্নয়নের পাশাপাশি বাণিজ্য , অর্থনীতি ও রাজনৈতিকভাবে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ শক্তিশালী অবস্থান তৈরিতে সক্ষম । এজন্য দরকার মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের সুদৃঢ় ঐক্য ও দক্ষ নেতৃত্ব ।

ইসলামী বিশ্বের গুরুত্ব ইসলামী বিশ্বের গুরুত্ব ইসলামী বিশ্বের গুরুত্ব ইসলামী বিশ্বের গুরুত্ব ইসলামী বিশ্বের গুরুত্ব অর্থনৈতিক গুরুত্ব অর্থনৈতিক গুরুত্ব অর্থনৈতিক গুরুত্ব অর্থনৈতিক গুরুত্ব ভৌগোলিক গুরুত্ব ভৌগোলিক গুরুত্ব ভৌগোলিক গুরুত্ব ganeralo ganeralo ganeralo