ইমাম তিরমিজি (রঃ) এর শিক্ষামূলক জীবনী

Biography of Imam Tirmizi

উপস্থাপনা :

যেসব মহামনীষীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাধনার ফলে প্রিয়নবী ( স ) এ পবিত্র বাণী আজ সমগ্র বিশ্বে সগৌরবে হেদায়াতের আলােকবর্তিকা হয়ে সমুজ্জ্বল , তাদের মধ্যে আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী ( র ) অন্যতম । নিম্নে ইমাম তিরমিজি এর জীবনী ।

ইমাম তিরমিযী ( র ) – এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

নাম ও পরিচয় :

তার নাম মুহাম্মদ , উপনাম আবু ঈসা , নিসবতী নাম তিরমিযী । | পিতার নাম ঈসা । তিনি একজন যুগশ্রেষ্ঠ হাদীসবিশারদ ।

নসবনামা :

তার নসবনামা হচ্ছে , আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সুরাহ ইবনে মুসা ইবনে দাহহাক আস সুলামী আল বুগী আত তিরমিযী ।

জন্মগ্রহণ :

তিনি বলখের আমুদরিয়্যা নদীর তীরে অবস্থিত তিরমিয শহরের বগু নামক অঞ্চলে হিজরী ২০৯ সনে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পূর্বপুরুষগণ ছিলেন মরাের অধিবাসী , তাঁর দাদা লাইস ইবনে ইয়াসারের আমলে সেখান থেকে তিরমিয়ে এসে বসতি স্থাপন করেন । সে স্থানের দিকে সম্বন্ধ করেই তাঁকে তিরমিযী বলা হয় ।

শিক্ষাজীবন :

তিনি প্রাথমিক শিক্ষা নিজ গ্রামেই অর্জন করেন । প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি ইলমে হাদীস ও ইলমে ফিকহ বিষয়ে জ্ঞানার্জনে মনােনিবেশ করেন । তাই হাদীস ও ফিকহশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি তৎকালীন যুগশ্রেষ্ঠ হাদীসবিশারদ ও ফিকহবিদগণের শরণাপন্ন হন । এ পর্যায়ে তিনি সে যুগে আবির্ভূত যুগান্তকারী মুহাদ্দিস ইমাম বুখারী , মুসলিম ও আবু দাউদ ( র ) – এর নিকট থেকে হাদীসের জ্ঞানলাভ করে স্বীয় জ্ঞানভাণ্ডার পূর্ণ করেন ।

হাদীস সংগ্রহে বিদেশ সফর :

ইমাম তিরমিযী ( র ) বাল্যকাল থেকেই হাদীসের জ্ঞান আহরণের প্রতি অতি উৎসাহী ছিলেন । তাই নিজ এলাকার মুহাদ্দিসগণের নিকট থেকে হাদীস সংগ্রহ শেষে তিনি আরাে হাদীস সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন দেশ সফর করেন । এ পর্যায়ে তিনি বসরা , কুফা , ওয়াসিত , রায় , খােরাসান ও হিজাযে হাদীসের সন্ধানে গমন করেন । ঐ সব দেশের বড় বড় মুহাদ্দিসগণের নিকট থেকে তিনি হাদীস সংগ্রহ করেন । হাদীস সংগ্রহে তাঁর সফরের বর্ণনা দিতে গিয়ে
♦আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী ( র ) বলেনঃ
طاف البلاد وسمع خلقا من الخاسيين والعراقيين والحجازيين

শিক্ষকবৃন্দ :

ইমাম তিরমিযী ( র ) স্বীয় যুগের অগণিত হাদীসবিশারদ থেকে হাদীসের জ্ঞানলাভ করেছেন । তাঁদের মধ্যে প্রসিদ্ধ কয়েকজন হলেন
★ইমাম বুখারী ,
★মুসলিম ,
★আলী ইবনে হাজার মারুযী ,
★হানায ইবনে সারী ,
★কুতাইবা ইবনে সাঈদ ,
★মুহাম ইবনে বাশার ,
★আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে সাঈদ জাওহারী ,
★বাশার ইবনে আদর জারুদ ইবনে মুয়ায ,
★হাতেম ইবনে সাবাহ
★রাজা ইবনে মুহাম্মদ ,
★দিয়াদ ইবনে আইয়ুব ,
★সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান ,
★সালেহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যাকওয়ান আব্বাস ইবনে আবদুল আযীম ,
★ফযল ইবনে সাহল ,
★মুহাম্মদ ইবনে আবন ইবনে ওযীর ,
★নসর ইবনে আলী ,
★হারূন ইবনে আবদুল্লাহ ,
★ইয়াহইয়া ইবনে আকসার প্রমুখ ।
তিনি স্বীয় জামে তিরমিযীতে যেসব শিক্ষক থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাঁদের সংখ্যা ২০৬ জন । এদের ৪১ জন কুফার অধিবাসী ।

ছাত্রবৃন্দ :

♦ হাফেয মুসা ইবনে আলাক ( র ) বলেনঃ-مات البخاري فلم يخلف بخراسان مثل ابي عيسي في العلم والحفظ والورع والزهد
অর্থাৎ , ইমাম বুখারী ( র ) – এর ওফাতের পর জ্ঞানে , মেধায় , বুযুর্গী ও পরহেযগারীতে । খােরাসানে ইমাম তিরমিযী ( র ) – এর সমকক্ষ কোনাে মুহাদ্দিস ছিলেন না । কেননা খােরাসান , তুরস্ক ও সিরিয়াসহ সমগ্র পৃথিবীতে তাঁর অসংখ্য সুযােগ্য ছাত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল । তাঁর জগদ্বিখ্যাত ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন –
★আবু হামেদ মুহাম্মদ । ইবনে আবদুল্লাহ মারুযী , ★হাইসাম ইবনে কুলাইব শাশী ,
★আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মাহবুব মারুযী ,
★আহমদ ইবনে আবু ইউসুফ । নাসাফী ,
★আবদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ নাসাফী ,
★মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ
★দাউদ ইবনে নসর ইবনে সাহল বাযদুভী ( র ) প্রমুখ ।

ইমাম বুখারী ( র ) কর্তৃক ইমাম তিরমিযী (র) থেকে হাদীস শ্রবণ :

ইমাম তিরমিযী ( র ) ইমাম বুখারী ( র ) – এর অন্যতম বিশিষ্ট ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও স্বয়ং ইমাম বুখারী ( র ) ইমাম তিরমিযী ( র ) হতে হাদীস শ্রবণ করেছেন ابواب التفسير এর سورة الحشر এ নিম্নবর্ণিত বর্ণনাঃ-
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن عن هارون بن معاوية عن حفص بن غياث عن حبيب بن عمرة عن سعيد بن جبير عن النبي صلي الله عليه وسلم مرسلا
লিখে বলেছেন যে , আমার থেকে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল এ হাদীসটি শুনেছেন । আর ابواب المناقب এর মধ্যে হাদীস এ يا علي لا يحل لاحد ان يجنب في هذا المسجد غيري وغيرك প্রসঙ্গে লিখেছেন যে
و قد سمع محمد بن اسماعيل مني هذا الحدي
তাছাড়া ইমাম বুখারী ( র ) ও তাঁর প্রিয় ছাত্র ইমাম তিরমিযীকে নিয়ে গর্ব করতেন ।
♦ ইমাম বুখারী ( র ) তার প্রসঙ্গে বলেন – انتفعت بك اكثر مما انتفعت بي

অর্থাৎ আমি তােমার থেকে এর চেয়ে অধিক উপকৃত হয়েছি যেরূপ তুমি আমার থেকে উপকৃত হয়েছ ।

মেধাশক্তি :

আল্লাহ তায়ালা যখন কারাে থেকে কোনাে কাজ নেয়ার ইচ্ছা করেন , তখন তিনি তার মধ্যে সে যােগ্যতাও সৃষ্টি করেন । এ হিসেবে আল্লাহ তায়ালা ইমাম | তিরমিযী ( র ) – এর মধ্যে বড় বড় হাদীসবিশারদগণ থেকে হাদীসের জ্ঞানলাভ করার মতাে মেধা ও ধীশক্তিও দান করেছিলেন ।

আল্লামা আবু সাঈদ আওরিসী ( র ) বলেন , ইমাম তিরমিযী ( র ) – এর মেধাশক্তি ছিল প্রবাদস্বরূপ । একবার শ্রবণ করামাত্র তার মুখস্থ হয়ে যেত।

আল্লাহভীতি :

ইমাম তিরমিযী ( র ) তাকওয়া , আল্লাহভীতি , পরহেযগারীতে এমন । পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিলেন যে , আল্লাহ তায়ালার ভয়ে তিনি সর্বদা কান্নাকাটি করতেন এবং চোখ থেকে সর্বদা অশ্রু ঝরত । এমনকি ক্রন্দন করতে করতে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল ।

তাঁর সম্পর্কে মনীষীবৃন্দের উক্তিঃ-

ইমাম তিরমিযী ( র ) একজন হাকেম , প্রখ্যাত মুহাদ্দিস , বিশিষ্ট ফিকহবিদ , বুদ্ধিমান ও অদ্বিতীয় মুজতাহিদ ছিলেন। اشعت المعات

♦ গ্রন্থাকার বলেনঃ-
انه كان حافظا عادلا وناقدا وله يد طولي في الفقه
অর্থাৎ তিনি হাফেজ, ন্যায়পরায়ণ,সমালোচক এবং ফিকাহশাস্ত্রে সুদক্ষ ছিলেন।

♦ উরফুশ শাযী গ্রন্থাকার বলেনঃ-
انه كان من جبال الحديث ولكن البخاري (رح) كان شمس سماء هذا الفن
অর্থাৎ তিনি ছিলেন হাদীসশাস্ত্রের পাহাড়তুল্য তবে ইমাম বুখারী (রঃ) ছিলেন এ বিষয়ে আকাশের সূর্যতুল্য।

♦ ইমাম বুখারী তাঁর শিক্ষক হয়েও তাঁর সম্পর্কে বলেছেনঃ-
انتفعت بك اكثر مما انتفعت بي
অর্থাৎ তুমি আমার দ্বারা যতটুকু উপকৃত হয়েছ আমি তোমার দ্বারা তার চেয়ে অধীক উপকৃত হয়েছি।

হাদীসশাস্ত্রে তাঁর অবদান :

হাদীসশাস্ত্রে তাঁর উল্লেখযােগ্য অবদান হলাে ‘ জামেউত তিরমিযী ‘ রচনা । এটি অত্যন্ত মূল্যবান ও আলােড়ন সৃষ্টিকারী হাদীসগ্রন্থ । হেজায ও ইরাকের ওলামায়ে কেরাম এ গ্রন্থের ভূয়সী প্রশংসা করেন । শায়খুল ইসলাম হারফী ( র ) বলেন , হাদীসশাস্ত্রের দৃষ্টিতে এ গ্রন্থ বুখারী ও মুসলিম শরীফ থেকে অধিক উপকারী । জামেউত তিরমিযী ’ গভীরতা ও বিশুদ্ধতার দৃষ্টিতে বুখারী শরীফের পদ্ধতির বাহক । উপস্থাপনা ও শৃঙ্খলার দিক দিয়ে এটি সহীহ মুসলিম শরীফের অনুরূপ । আহকামের হাদীস ও ফকীহন্দের প্রমাণাদির বর্ণনার দিক থেকে এটি সুনানু আবি দাউদের অনুরূপ । প্রয়ােজনীয় সকল হাদীস এতে বিদ্যমান ।

জরাহ ও তাদীলের ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থানঃ-

হাদীসের جرحتعديل তথা শুদ্ধাশুদ্ধির ক্ষেত্রে ইমাম তিরমিযী ( র ) – এর অবস্থান শীর্ষে । বর্ণনাকারীর মধ্যে যেসব গুণ থাকলে তার হাদীস গ্রহণীয় হবে এবং যেসব দোষ থাকলে তার হাদীস পরিত্যাজ্য হবে সে ব্যাপারে ইমাম তিরমিযী ( র ) ছিলেন সুদক্ষ । হাদীসের جرحتعديل এর ব্যাপারে তিনি উচ্চতর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন । তার প্রমাণ মেলে স্বয়ং তার জামেউত তিরমিযী কিতাবে । তিনি হাদীসের শেষে সহীহ , হাসান , গরীব ইত্যাদি পরিভাষা উল্লেখ করেছেন । এতে দিবালােকের ন্যায় সুস্পষ্ট হয় যে , তিনি হাদীসের جرحتعديل – এ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন । অন্যথা এরূপ বলা সম্ভব নয়।

ইমাম তিরমিযী ( র ) – এর রচনা সম্ভার :

ইমাম তিরমিযী ( র ) অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন । এর মধ্যে প্রসিদ্ধ কয়েকটি হলাে |

১.الشماءل এটি মহানবী ( স ) – এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য , শারীরিক গঠন , গুণাবলি , খাওয়া – দাওয়া ইত্যাদি প্রসঙ্গে লিখিত । এতে চারশত হাদীস রয়েছে । ৫৬টি অধ্যায়ে তা বিভক্ত ।

২ . العلل: এ বিষয়ে দুটি কিতাব লিখেছেন । যথা – ★ صغري ★ كبري
৩ . المفراد
৪ . الزهد
৫ . كتاب التاريخ
৬ . جامع الترمذي

ইমাম তিরমিযীর সংকলন পদ্ধতি :

ইমাম তিরমিযী ( র ) তাঁর এ জামে ও সুনান হাদীসগ্রন্থটি সংকলনের ক্ষেত্রে কতিপয় মানহাজ তথা পদ্ধতির অনুসরণ করেন , তা হলাে :

• ইমাম তিরমিযী ( র ) স্বীয় জামে কিতাবকে ৫১টি কিতাব তথা পর্বে ভাগ করেন । এক্ষেত্রে كتاب الطهارة দ্বারা স্বীয় গ্রন্থ শুরু করেন এবং كتاب المناقب দ্বারা তা সমাপ্ত করেন ।
• ‏ তিনি এ কিতাবটিকে বিভিন্ন باب এ বিভক্ত করেন । তিনি প্রতিটি বাবের শিরােনাম সংযােজন করেছেন ।
• ইমাম তিরমিযী রাবী সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি উল্লেখ করেছেন ।
• তিনি হাদীসের শ্রেণি বিশ্লেষণ করেছেন ।
• তিনি ফোকাহায়ে কেরামের মাযহাব বর্ণনা করেছেন ।
• তিনি রাবীর দোষগুণ বর্ণনা করেছেন ।
• তিনি স্বীয় কিতাবে বিভিন্ন পরিভাষা ব্যবহার করেছেন এবং তার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছেন ।
• তিনি স্বীয় কিতাবটি ফিকহী তারতীব অনুযায়ী বিন্যাস করেছেন।

জামে – এর পরিচয় :

♦আভিধানিক অর্থ : جامع শব্দটি اسم فاعل একবচন । এটি الجامع মাসদার থেকে বাবে فتح এর বহুবচন এর অর্থ হচ্ছেঃ-

★ সম্মিলিতকারী ,
★ একত্রকারী ,
★ জমাকারী ,
★ সঞ্চয়কারী ,
★ জড়িভূতকারী ইত্যাদি ।

পারিভাষিক পরিচয়

মুহাদ্দিসানে কেরামের পরিভাষায় হাদীসপুঞ্জের ঐ সংকলনকে الجامع বলে , যার মধ্যে শরীয়তের সর্বব্যাপ্ত নিম্নলিখিত ৮টি বিষয় সম্পৃক্ত হাদীসসমূহ সন্নিবেশ করা হয়েছে । সে বিষয়গুলাে হচ্ছেঃ-

১ . احكام অর্থাৎ , ঈমান , নামায , রােযা , হজ্জ , যাকাত ইত্যাদি বিষয় সম্পৃক্ত হাদীস ।

২ . عقاءد অর্থাৎ , আল্লাহ , রাসূল , বেহেশত , দোযখ এবং দৃশ্য – অদৃশ্য যাবতীয় বাস্তব | সংঘটিতব্য বিষয় সংক্রান্ত হাদীস ।

৩ .فتن অর্থাৎ , ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত যাবতীয় ঘটনাবলি সম্পর্কিত হাদীস ।

৪. ادب অর্থাৎ , মুসলিম ব্যক্তি – চরিত্রের শিষ্টাচার সংবলিত হাদীস ।

৫.تفسير – অর্থাৎ , কুরআনের তাফসীর প্রসঙ্গে রাসূল ( স ) ও সাহাবীগণের উক্তি সম্পৃক্ত হাদীস ।

৬. مناقب অর্থাৎ , সাহাবায়ে কেরাম , সাহাবিয়াত ও আযওয়াজে রাসূলের মর্যাদা সম্পৃক্ত হাদীস ।

৮ . اشراط الساعة অর্থাৎ , মহাপ্রলয়ের পূর্বাহিক ক্ষুদ্র – বৃহৎ চিহ্নসমূহের বিবরণ সংবলিত হাদীস ।

ইন্তেকাল :

প্রসিদ্ধ বর্ণনানুযায়ী তিনি হিজরী ২৭৯ সনের ১৩ রজব মােতাবেক ৮৯ খ্রিস্টাব্দে সােমবার তিরমিয থেকে ছয় ক্রোশ দূরে ‘ বুগ ‘ নামক গ্রামে ইন্তেকাল করেন । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর । আল্লামা সামায়ানী ( র ) – এর মতে , ইমাম তিরমিজী ( র ) ২৭৫ হিজরী সনে এবং শায়খ আবিদ সিন্ধি ( র ) – এর মতে , ২৭৭ হিজরী সনে ইন্তেকাল করেন।

ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি মাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি ইমাম তিরমিজি